
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বলে থাকে ''আগুন নেভানোর চেয়ে ঠেকানো উত্তম''
ঠেকাবো কিভাবে
বৈদ্যুতিক তার পরীক্ষা করবো।
ইস্ত্রিতে সংযোগ থাকাবস্থায় সরে যাবো না।
খোলা বাতি পরিহার করবো। পরিহার করা সম্ভব না হলে সাবধানে ব্যবহার করবো।
সম্ভব হলে ফায়ার এষ্টিঙ্গুইশার রাখবো। মাঝে মধ্যে তা পরীক্ষা করবো।
রান্নাঘর কাঁচা হলে বেড়ার উপর পুরু করে মাটির প্রলেপ দেবো।
ধুমপান বর্জন করবো। না পারলে অতি সাবধানে ধুমপান করবো।
পাসওয়ার্ড কনফার্মেশনের মতো সিগারেটের অবশিষ্টাংশ সজ্ঞানে নেভাবো। নিভিয়ে নিশ্চিত হবো।
শুধুমাত্র ঘরে সাজিয়ে রাখার জন্য অপ্রয়োজনীয় দাহ্য কোন বস্তু ব্যবহার করবো না।
নিজের নাম্বারের মতো ফায়ার সার্ভিসের নাম্বারটিও মনে রাখবো।
টেলিফোনের গায়ে নিজের নাম্বারের পাশাপাশি ফায়ার সার্ভিসের নাম্বারটিও লিখে রাখবো।
নেভাবো কিভাবে
প্রথম কাজ হচ্ছে নিজে বিচলিত বা আতঙ্কগ্রস্ত না হওয়া এবং অন্যকেও হতে না দেয়া।
আগুন কোথায়, সত্যিই আগুন কি-না তা জানতে হবে।
প্রাথমিক অবস্থায় আগুন নেভানো সহজ। তাই তখনই সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে।
ফায়ার সার্ভিসেও খবর দিতে হবে।
ফায়ার সার্ভিস পাওয়া পর্যন্ত মোকাবেলা করতে হবে।
প্রথমেই বৈদ্যুতিক মেইন সুইচ বন্ধ করতে হবে।
আগুন তেল জাতীয় না হলে যতটা সম্ভব পানি নিক্ষেপ করতে হবে।
তেল থেকে সৃষ্ট আগুনের ক্ষেত্রে কম্বল, কাঁথা, খালি বস্তা বা ছালা ভিজিয়ে চাপা দিতে হবে।
সেই সাথে আশপাশের দাহ্য বস্তু সরিয়ে নিতে হবে। এমনকি আশপাশে কাঁচা ঘর থাকলে ভেঙ্গে ফেলতে হবে।
আগুন উর্ধ্বমুখী। তাই ৫ তলা ভবনের ৩য় তলায় লাগলে প্রথমে ৩য়, এরপর যথাক্রমে ৪র্থ ও ৫ম তলার লোকজনকে বেরিয়ে আসার সুযোগ দিতে হবে। এরপর যথাক্রমে দোতলা ও নীচতলা থেকে বেরিয়ে আসবে।
মনে রাখবো
মনে রাখবো, আগুনে পুড়ে নয়, আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে অগ্নি-দূর্ঘটনায় বেশীর ভাগ মানুষ মারা যায়।
তথ্য পাওয়ার ২০ থেকে ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ফায়ার সার্ভিস পথে বেরিয়ে আসে। কিন্তু দূরত্ব, যানজট, অপ্রশস্ত রাস্তা, পানির উৎস, বিচলিত/ উৎসাহী মানুষের ভিড়, অগ্নি নির্বাপনী সরঞ্জাম নিয়ে টানা-হেঁচড়া ইত্যাদি- কাজ শুরু করতে বিলম্ব ঘটায়।
সূত্রঃ
১। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রচারপত্র।
২। স্বেচ্ছাসেবকের নিকট থেকে সংগৃহীত তথ্য।
No comments:
Post a Comment